অবরোধ প্রত্যাহার না হলে প্রতিরোধ যুদ্ধ চলবে: খালেদ মিশাল

Posted: July 24, 2014 in খবর
Tags: , , , ,

86340_3অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের প্রধান খালেদ মিশাল।

তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গাজা উপত্যকার ওপর গত আট বছর ধরে চলা অবরোধ প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত তার সংগঠন যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত কোনো আলোচনায় বসবে না।

গাজায় ইসরাইলি বর্বর আগ্রাসন শুরুর ১৬তম দিনে বুধবার রাতে কাতারের রাজধানী দোহায় প্রথম জনসম্মুখে হাজির হন খালেদ মিশাল।

এর আগে বুধবার বাইতুল মোকাদ্দাসে (জেরুজালেমে) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি ও ইহুদিবাদী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, সংঘর্ষ বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না। অর্থাৎ হামাসকে আগে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মানতে হবে।

আমেরিকা ও তার দোসর ইহুদিবাদী ইসরাইলের এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে হামাস নেতা মিশাল বলেন, ‘হামাসের দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা যুদ্ধবিরতির কোনো প্রস্তাব মানবো না। আমরা আজ প্রত্যাখ্যান করছি এবং আগামীকালও প্রত্যাখ্যান করব।’

তিনি বলেন, ‘আমেরিকা, ইসরাইল, মিশর, ইউরোপ, মাহমুদ আব্বাস সবার প্রতি আমাদের একই বার্তা- গাজার ওপর থেকে অবরোধ তোলার আগ পর্যন্ত কোনো যুদ্ধবিরতি হবে না।’

300_42মেশাল বলেন, ‘তাদের সবাই আমাদের কাছে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে এসেছে। তারা প্রত্যেকে চায়, আমরা আগে যুদ্ধবিরতি করি; তারপর আমাদের দাবি নিয়ে আলোচনা হবে। কিন্তু আমরা তা প্রত্যাখ্যান করেছি। আমাদের কথা একটি- আগে দাবি মানতে হবে, তারপর যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।’

হামাস প্রধান বলেন, ‘সামরিক শক্তির দিক দিয়ে আমরা ইসরাইলের সমান নই। কিন্তু ইসরাইলের শান্তি নষ্ট করার মত যথেষ্ট শক্তি আমাদের আছে। আমরা বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর বন্ধ করতে পেরেছি। কাজেই আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত প্রতিরোধ যুদ্ধ চলবে।’

খালেদ মেশাল বলেছেন, তাদের দেওয়া শর্তগুলো যতক্ষণ বাস্তবায়ন করা হবে না ততক্ষণ হামাস দীর্ঘস্থায়ী অস্ত্র বিরতির প্রস্তাব নাকচ করবে।

শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে- গাজার ওপর থেকে আট বছরের অর্থনৈতিক অবরোধ তুলে নেওয়া এবং মিশরের সাথে রাফা সীমান্ত খুল দেওয়া এবং ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্ত করে দেওয়া।

তবে তিনি বলেছেন হামাস মানবিক অস্ত্র বিরতির পথ বন্ধ করবে না। তিনি বলেন, আমাদের কয়েক ঘন্টা শান্ত থাকা উচিত। এর মধ্যে যারা আহত হয়েছে তাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং ত্রাণ সরবরাহ বাড়ানোর জন্য কাজ করা উচিত।

মেশাল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান, গাজাতে তারা যেন ওষুধ, জ্বালানি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বস্তু সরবরাহ করে।

সূত্র: আরটিএনএন

Advertisements

আপনার মন্তব্য লিখুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s