Archive for the ‘ব্লগ’ Category

লিখেছেন সাইফুল ইসলাম

86340_3জন্মেছিলেন ফিলিস্তিনের পরাধীন ভূমিতে। জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে বাবা-মায়ের হাত ধরে শিশুকালেই দেশান্তরি হন কুয়েতে। এরপর কখনো জর্ডানে, কখনো সিরিয়ায় আবার কখনোবা কাতারে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন তিনি।

তিনি খালেদ মেশাল- ফিলিস্তিনের এক আপসহীন সিপাহশালার। গাজার ইসলামপন্থী দল হামাসের প্রধান তিনি। মধ্যপ্রাচ্যের যে কোনো রাজা বাদশাহকে বিশ্বের যত মানুষ চেনেন, তার চেয়ে বিশ্বব্যাপী তার পরিচিতি অনেক বেশি। দেশহীন এই মানুষটি এখন আরব জাহানের এক মুকুটহীন সম্রাট।

পরিচিতিতে তিনি হয়তো মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রতিদ্বন্দ্বী। স্বাধীনতাকামীদের হৃদয় স্পন্দন তিনি। নিজ মাতৃভূমিকে দখলদার ইসরাইলিদের কবলমুক্ত করতে লড়াই করছেন জীবন বাজি রেখে।

ইসরাইলি বর্বর বাহিনী যখনই গাজার ওপর হামলে পড়ে তখন বিশ্বব্যাপী উচ্চারিত হয় একটি নাম-খালেদ মেশাল। অথচ ইসরাইলি চক্রান্ত সফল হলে এতোদিনে তার ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন হতো।

হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজায় সর্বশেষ ৫০ দিনের ইসরাইলি আগ্রাসনকে ফিলিস্তিনের মুক্তির সংগ্রামের পথে ‘মাইলস্টোন’ আখ্যা দেন এই নির্বাসিত হামাস নেতা। অথচ দু’বছর আগে হামাসের দায়িত্ব ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। (more…)

sejan mahmudলিখেছেন সেজান মাহমুদ

আমেরিকার যে কোন প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে ইহুদীদের সন্তষ্ট রাখা বা ইজরাইলের প্রতি ধনাত্নক মনোভাব না জানিয়ে কেউ নির্বাচিত হতে পারেন না। কারণ আমেরিকার মিডিয়া এবং ব্যবসা এদের দখলে। আজকে বিবিসির মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক সাংবাদিক জেরেমি বৌয়েনকে সরানো হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। কারণ তিনি লিখেছিলেন হামাস কর্তৃক গাজায় নারী এবং শিশুদের দিয়ে শিল্ড তৈরি করার প্রমাণ তিনি দেখেননি।

অন্যদিকে ক্ষমতায় আসার পরও আমেরিকার কোন প্রেসেডেন্ট যদি ইসরাইলের বিপক্ষে কিছু বলেন বা করেন সঙ্গে সঙ্গে তাঁর দুর্বল কোন জায়গায় আঘাত আসে। যেমন এসেছিল ক্লিনটনের ক্ষেত্রে মণিকা লিউনিস্কি বা ওবামার ক্ষেত্রে তাঁর ইকোনমিক ফেইলর। এমনও কথা শোনা যায়, আমেরিকার বড় বড় সিনেটর, কংগ্রেসম্যান, প্রেসিডেন্ট এবং এমন কি সিআইএ’র উচ্চপদস্থদের ব্যাপারে এফবিআইয়ের মতো নিজস্ব ফাইল আছে ইহুদীদের হাতে এবং সময় মতো তারা তা ব্যবহার করে। (more…)

abumorrশিরোনামের প্রশ্নটি করেছেন গাজা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী, ফিলিস্তিনি ব্লগার ও মানবাধিকারকর্মী মাইসাম আবুমরআলজাজিরার মতামত বিভাগে প্রকাশিত মাইসামের পাঠানো এই চিঠিতে তিনি আশংকা প্রকাশ করেন, এই চিঠি তারও শেষ চিঠি হতে পারে। এটি অনুবাদ করেছেন গাউস রহমান পিয়াস

মনে পড়ছে গাজায় আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক আইসিআরসির এক কর্মশালায় একজন ফিলিস্তিনি প্রশ্ন করেছিলেন : ‘কী কী যোগ্যতা থাকলে এই মানবাধিকারগুলো আমিও পাব?’ ‘কিচ্ছু না। আপনাকে মানুষ হতে হবে, এইটুকুনই।’ তেমন না ভেবেই উত্তর দিয়েছিলেন প্রশিক্ষক

আজ আমিও প্রশ্ন করছি, মানুষ হিসেবে গণ্য হতে হলে আমাকে কী করতে হবে? কী হতে হবে? আমার জীবনও তো স্বাভাবিক মানুষের মতোই! আমি ভালোবাসি। ঘৃণা করি। কাঁদি। হাসি। আমি ভুল করি। শিখি। আমি স্বপ্ন দেখি। আঘাত দিই। আঘাত পাই। পিৎজা আমার খুব পছন্দ। টাইটানিক ছবিটি দেখেছি ছয়বার। ব্যাডলি কুপারের জন্য পাগল। আমার অসুখ হয়। কখনো এমন সস্তা কৌতুক করি যে নিজেরই হাসি পায় এবং সর্বশেষ যেদিন নিজেকে আয়নায় দেখেছিলাম আমাকে মানুষের মতোই দেখাচ্ছিল। (more…)

লিখেছেন শাহেদ তাসলিম শাহাদাত

shahedকোনো শব্দ বা শব্দগুচ্ছের আগে # (হ্যাশ) চিহ্ন ব্যবহার করাকেই হ্যাশট্যাগ বলে। এক্ষেত্রে হ্যাশ চিহ্ন পরে ব্যবহৃত শব্দগুলোর মাঝে কোনো স্পেস থাকে না এবং হ্যাশ ট্যাগে ব্যবহৃত শব্দগুলোর প্রথম অক্ষর বড় হাতের লেখা হয়।

হ্যাশট্যাগ সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়া যেমন: ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়। এটা ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো আলোচ্য বিষয়কে সুনির্দিষ্ট করা হয় এবং এর মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়াতে খুব সহজেই জনমত সৃষ্টি করা যায়।

সম্প্রতি ফেসবুক ও টুইটারে #SupportGaza, #GazaUnderAttack, #GazaUnderFire, #FreeGaza, #FreePalestine, #IsraelUnderFire- এই হ্যাশট্যাগগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

মিডিয়ার পক্ষপাতদুষ্ট সংবাদ পরিবেশনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে কার্যত এগুলোই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সারা বিশ্বে ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। (more…)

লিখেছেন জিয়া হাসান

ফেসবুক এবং টুইটারের পার্থক্যটা বোঝা জরুরী। টুইটার জিনিষটা পাবলিক ইউজের জন্যে তৈরি করা। এবং ফেসবুক জিনিষটা প্রাইভেট আলাপের জন্যে তৈরি করা। যদিও আমরা বাঙালিরা ফেসবুককে পাবলিক পোস্টের জন্যে ব্যাবহার করা শুরু করছি। বাস্তবতা হইলো, ফেসবুকে আপনি যেইটা লিখবেন সেইটার ভিজিবিলিটি যদি আপনি “পাবলিক” করেও দেন, তবুও সেইটা একটা সুনির্দিষ্ট লোকের কাছে পৌঁছাবে, যারা মূলত আপনার ফ্রেন্ড, সাবস্ক্রাইবার অথবা বেশি হইলে আপনার ফ্রেন্ড এবং সাবস্ক্রাইবারদের ফ্রেন্ড।বাকিদের কাছে পৌঁছাবেনা কারন, এইটা ফেসবুকের কাছে ব্যবসা। ফেসবুক চায়, আপনে তাদের এডারটাইজমেন্টটা ব্যবহার করেন।

ফেসবুক একটা এল্গরিদ্ম ব্যবহার করে,এর নাম এজর‍্যাঙ্ক।আপনার একটা লেখা কার কার কাছে পৌঁছাবে সেইটা নির্ভর করবে ফেসবুকের এই এলগরিদমের উপরে।

(more…)

লিখেছেন চিন্তিত চিন্তাবিদ

বিভিন্ন ইস্যুতে আমাদের একটা প্রশ্ন করতে দেখা যায় এই যে এত স্ট্যাটাস দেই, টুইট করি, ছবি শেয়ার করি এতে আদৌ লাভ হয় কি? আমাদের কথা তো আর কেউ শোনে না। অনলাইনে ঝড় তুলেই লাভ কি?

সোশাল মিডিয়াতে সক্রিয় থাকার প্রয়োজনীয়তাটা চ্যানেল ফোরের ব্লগে চার্লস ম্যাসনের Why Israel is losing the social media war over Gaza শীর্ষক আর্টিকেলটি পড়লে আরো ভালোভাবে বোঝা যায়। তিনি প্রমাণ দিয়ে বুঝিয়েছেন গতানুগতিক মিডিয়া কিভাবে সত্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সোশাল মিডিয়ার কাছে হেরে যাচ্ছে।

গতানুগতিক মিডিয়াতে একটা খবর আসার আগে তাকে নানাভাবে রাঙ্গিয়ে-মুছিয়ে, নিজেদের মতো করে প্রকাশ করা হয়, যার ফলে খবরগুলো হয় একচোখা। আর অন্যদিকে সোশাল মিডিয়াতে খবরগুলোতে রঙ চড়ানোর সুযোগ থাকে না, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে শক্তিশালী কোন ছবিসহ আপনার কাছে মুহুর্তে পৌছে যায়, কোন মধ্যম ব্যক্তির হস্তক্ষেপ ছাড়াই। ফলে খবরগুলো হয় অনেক বেশি জীবন্ত ও সত্য। (more…)

লিখেছেন আবু সামীহা

২০০১ সাল। আমি তখন ওকলাহোমা সিটি ইউনিভার্সিটির গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট।  প্রতি সপ্তাহান্তে একটা ডলার স্টোরে কাজ করি। কাজে যাওয়ার জন্য মাঝে মাঝে ট্যাক্সি কল করতে হয়। ওকলাহোমা আমেরিকার সেই অংশে অবস্থিত যেখানে সাদা খৃষ্টান বর্ণবাদীদের আধিপত্য। একদিন ট্যাক্সি আসলে দেখলাম ড্রাইভার সাদা এবং মনে হল তিনি আমাকে দেখে পসন্দ করেন নি।

তিনি আসলে কোন রাখ-ডাক না করে তাঁর অসন্তুষ্টি প্রকাশই করে দিলেন। তিনি বললেন, “আমি মনে করতাম ইমিগ্র্যান্টরা নিউ ইয়র্ক এবং ক্যালিফোর্নিয়াতেই শুধু আসে। তারা এখন ওকলাহোমাতেও আসতে শুরু করেছে।” যাই হোক, হাজার হলেও আমি তাঁর কাস্টমার। তাই আমার সাথে তিনি ফ্রেণ্ডলী হবার চেষ্টা শুরু করলেন। তাই তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি কোত্থেকে এসেছেন?” আমি জবাব দেবার আগেই তিনি নিজেই বললেন, “আমাকে অনুমান করতে দিন। আপনি নিশ্চয় ভারতীয়।” আমি দুষ্টামির স্বরে বললাম, “হ্যাঁ, আমার দাদা ভারতীয় ছিলেন, আমার বাবা ছিলেন পাকিস্তানী, আর আমি বাংলাদেশী।” বেচারা পুরো হতভম্ব হয়ে পড়লেন। বললেন, “এটা কী করে সম্ভব যে একই পরিবারের তিনটা পরম্পরা তিনটা ভিন্ন দেশের নাগরিক?”

আমি বললাম, “আসলে আমরা সবাই একই এলাকায় জন্মেছি এবং বড় হয়েছি। আমার বাপ ও দাদা ওখানেই মারা গেছেন। ব্যাপার যা হয়েছে তা হলঃ আমার দাদার সময়ে আমাদের এলাকাটা পুরোটা ভারত ছিল; এরপর আমার বাবার সময়ে দুটো দেশ হয়েছে – পাকিস্তান ও ভারত। আমরা পাকিস্তানের অংশে ছিলাম। পাকিস্তান আবার বিচ্ছিন্ন হয়েছে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে। আর আমি জ্ঞান হবার পর যে দেশ দেখেছি তা হল বাংলাদেশ।” তিনি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, “বাপরে, বড় জটিল আপনাদের ইতিহাস।”

(more…)

মানবতার ডাকেই নরওয়ের ডাক্তার ম্যাড গিলবার্ট ছুটে গিয়েছেন গাজার আস- শিফা হাসপাতালে । দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন এই মানবতাবাদি চিকিৎসক । গত রাতে গাজায় জায়নবাদী ইসরাইলের বর্বর হত্যাযজ্ঞের পর তিনি এক খোলা চিঠিতে সেই হত্যাকাণ্ডের বর্ননা করেছেন। মিডল ইষ্ট মিনিটর থেকে সেটি অনুবাদ করেছেন নাজমী নাতিয়া

85133_1প্রিয়তম বন্ধুগণ,
গত রাতের তীব্রতা সমস্ত মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিলো। গাজায় স্থল আক্রমণের পরিণতি শুধু যত্র তত্র কাটা ছেঁড়া শরীর, গাড়িভর্তি আহত, দ্বিখণ্ডিত, রক্তে ভেজা, মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে যাওয়া ফিলিস্তিনি মানুষগুলো। যারা সাধারণ, যারা নিষ্পাপ। যাদের বয়স কোন বাঁধা সৃষ্টি করতে পারেনি।

গাজার এম্বুলেন্সগুলোতে, সব কয়টি হাসপাতালে বীরসন্তানেরা ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার শিফটে একনাগাড়ে কাজ করে যাচ্ছে। অমানবিক পরিশ্রম আর নিঃশেষ হয়ে আসা মানুষিক শক্তির দরুন তারা বিবর্ণ হয়ে উঠছে। তারা প্রত্যেকে গত চার মাস ধরে বিনা পারিশ্রমিকে সেবা দিয়ে আসছে শিফা হাসপাতালে। তারা যত্ন নিচ্ছে, তটস্থ থাকছে এই ভেবে কার আগে কাকে চিকিৎসা দেয়া প্রয়োজন। তারা বিশৃঙ্খলভাবে পরে থাকা দেহের, আঁকারের, অঙ্গ প্রত্যঙ্গের বোধাতীত বিষয়গুলো বোঝার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তারা আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে নিস্তেজ, অক্ষম, রক্তাক্ত অথবা অসাড় মানুষগুলোকে জানতে। মানুষগুলোকে!

এ মুহূর্তে, আরো একবার “বিশ্বের সবচেয়ে নীতিবান সৈন্যবাহিনী” দ্বারা পশুর মত নিপীড়িত হচ্ছে মানুষগুলো ( এটাই হচ্ছে!)
আহতদের প্রতি আমার অপার সম্মান। কস্ট, অভিঘাত আর যন্ত্রণার মাঝেও তাদের এই অসাধারণ দৃঢ়চিত্তের প্রতি আমার সম্মান। কর্মচারী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য আমার তারিফ অবিরাম। ফিলিস্তিনি “সুমদের” (ধৈর্য) প্রতি আমার ঘনিষ্ঠতা আমাকে শক্তি দেয় যদিও মাঝে মাঝে এর এক একটি ঝলকে আমার চিৎকার করে উঠতে ইচ্ছে করে। কাউকে শক্ত করে ধরে কাঁদতে ইচ্ছে করে। রক্তে জড়ানো ওই উষ্ণ কোমল শিশুর ত্বক ও চুলের গন্ধ নিতে ইচ্ছে করে। ইচ্ছে করে, অনন্তকালের জন্য শক্ত আলিঙ্গনের মাধ্যমে নিজেদের রক্ষা করতে কিন্তু আমাদের যেমন সে সামর্থ্য নেই, তাদেরও নেই। (more…)

লিখেছেন শাইখ মাহদী

hamas logoপবিত্র আল আকসা মসজিদের পূন্যভূমি এবং অসংখ্য নবী-রাসূলগণের স্মৃতিবিজড়িত জেরুসালেম ও ফিলিস্তিনের দখলদারী জায়নবাদী ইসরাইলী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া এক চেতনার নাম “হামাস”। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র ও আগ্রাসনের মুখে নিজেদের আন্দোলনকে সমুন্নত রেখে নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সমগ্র পৃথিবীর মুক্তিকামী মানুষের মাঝে আলোড়ন তুলেছে এই ইসলামী আন্দোলন।

হামাস শব্দটির অর্থ আশা, বা উদ্দীপনা। এটি মূলত  حركة المقاومة الاسلامية হারাকাত আল-মুকাওয়ামা আল-ইসলামিয়া, “ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন” এর একটি আদ্যক্ষর। ইজ্জদ্দীন আল কাসাম নামে হামাসের একটি সামরিক শাখাও রয়েছে। দীর্ঘ সংগ্রামের পর  জানুয়ারী ২০০৬ সালে ফিলিস্তিনি সংসদীয় নির্বাচনে বিস্ময়করভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পায় হামাস। ফিলিস্তিনের মোট ১৩২টি আসনের মধ্যে ৭৪টি আসনে জয়লাভ করে ইসমাইল হানিয়া’র নেতৃত্বে সরকার গঠন করে দলটি। (more…)

লিখেছেন জাহিদ রাজন

সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব কত বেশি যারা আরব স্প্রিং সম্পর্কে কিছুটা জানেন তারাই বুঝতে পেরেছেন। মেইন স্ট্রীম মিডিয়ার অল্টারনেটিভ হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি শাহবাগ আন্দোলনের পক্ষে বা বিপক্ষে যে পক্ষেই অবস্থান নিন না কেন আপনাকে মানতে হবে যে শাহবাগ আন্দোলন বাংলাদেশে একটা ভাল ইমপ্যাক্ট তৈরি করেছিল, যার নেপথ্যে ভূমিকায় ছিল সোশ্যাল মিডিয়া।

ইসরাইল ঘোষণা দিয়েছে, ইসরাইলের পক্ষে প্রচার চালানোর জন্য সরকার ইয়ুনিভারসিটির ছাত্রদেরকে স্কলারশিপ দিবে; যারা নিজেদের পরিচয় গোপন করে অনলাইনে আন্তর্জাতিক অডিয়েন্সকে এড্রেস করবে যাতে তারা যে সরকারের হয়ে কাজ করছে এটা কেউ বুঝতে না পারে। এ ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব আরও ভাল বুঝা যায়। প্রফেসর ফ্লিঙ্কেনস্টাইন যিনি ফিলিস্তিনের ইস্যুতে অনেক সরব তাকে এই ইস্যুতে একটি বই লিখতে বলায় তিনি বলেন মানুষ এখন বই পড়ে না। এর চেয়ে ফেসবুক টুইটার বেশি কার্যকর।

(more…)