Posts Tagged ‘ইসরাইল’

মূল: আযযাম তামিমি, অনুবাদ: তারিকুর রহমান শামীম

azzam tamimiপ্রথমত: ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ বাহিনী ও ইজরাইলের মাঝে সম্পন্ন হওয়া সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতিটির মাধ্যমে গাজার মানুষ যা চাচ্ছিল তার সবটা তারা অর্জন করতে পারেনি। সেইসাথে ইজরাইল যা আশা করছিলো সেটার কিছুই এই যুদ্ধবিরতি দ্বারা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। সম্ভবত দুইটি পক্ষ থেকে শেষ-মেষ এই চুক্তিতে রাজি হওয়ার কারণ হচ্ছে তাদের এই বিশ্বাস যে, উদ্ভূত সার্বিক পরিস্থিতিতে এর চেয়ে বেশি কিছু পাওয়ার কোনও পথই খোলা ছিল না।

এটা সত্য যে ইজরাইল গাজার বিরুদ্ধে তাদের যুদ্ধে আরব জাতি-রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে নজিরবিহীন সহযোগিতা উপভোগ করেছিলো এবং গাজায় যত বেশি সম্ভব ক্ষতিসাধন করে আত্মসমর্পণের জন্য হামাসের উপর চাপ প্রয়োগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু আরব ভূখণ্ড থেকে লাগাতার উৎসাহ পেয়েছে তারা। এর পরেও তারা গাজার প্রতিরোধকে পঙ্গু করে দিতে পারেনি তাদেরকে অথবা তাদেরকে আত্মসমর্পণ করতেও বাধ্য করতে পারেনি। গাজার প্রতিরোধের ব্যাপারে কথা হল, অবরোধ এবং দুর্ভোগ স্বত্বেও এটা নিশ্চিতই গাজার জনগণের পক্ষ থেকে নিঃশর্ত ভাবে পূর্ণ সহযোগিতা পেয়েছে এই আশায় যে, অন্তত এই সংঘর্ষের মাধ্যমে গাজা উপত্যকায় প্রায় আট বছর ধরে চলতে থাকা অবরোধ থেকে মুক্তি আসবে। এতদ স্বত্বেও প্রতিরোধের পক্ষে অবশেষে সত্যিই অবরোধ তুলে নেয়া হবে কিনা তার নিশ্চিত গ্যারান্টি পাওয়া সম্ভব হয়নি। (more…)

লিখেছেন জাহিদ রাজন

১৯৭৩ সালের আরব ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইলি সেনারা ট্যাঙ্ক নিয়ে অগ্রসর হল। তারা ভাবল যে মিশরের সেনারা যেহেতু সুয়েজ খাল অতিক্রম করে এসেছে তাই খুব বেশী ভারী অস্ত্র এখনো আনতে পারে নি। অতএব, ট্যাঙ্ক দিয়ে আক্রমণ করে মিশরের সেনাবাহিনীকে সহজেই পরাজিত করা যাবে। ইসরাইল ট্যাঙ্ক নিয়ে প্রায় বিনা বাধায় অনেকখানি সামনে চলে আসল। মিশরের সেনাবাহিনী অপেক্ষা করতে থাকল। যখন ইসরাইলি ট্যাঙ্ক কিছুটা কাছাকাছি রেঞ্জে আসল তখন মিশরের সেনাবাহিনী রাশিয়া থেকে আনা এন্টিট্যাঙ্ক মিসাইল ফায়ার করা আরম্ভ করল। পরের দিকে বেশ ভালভাবে সামলে উঠলেও প্রথমে এই এন্টিট্যাঙ্ক মিসাইলের বাধায় ইসরাইলের বেশ কিছু সেনা নিহত হল এবং ট্যাঙ্ক ধ্বংস হল। এ ঘটনায় ইসরাইল বেশ হতবাক হয়ে গিয়েছিল।

ইসরাইলের সাথে যুদ্ধে একটা জিনিস খেয়াল রাখা দরকার। ইসরাইলের একজন সেনা নিহত হওয়াটাকেও ইসরাইলিরা খুব গুরুত্ব সহকারে দেখে। নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করলে ১৯৭৩ সালের আরব ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইলের পারফরম্যন্স ছিল অসাধারণ। মিশর এবং সিরিয়ার অতর্কিতে হামলার মুখোমুখি হয়েও তারা শেষ পর্যন্ত সিরিয়াকে বেশ ভালভাবেই কাবু করেছিল। সম্মিলিত আরব ফোর্স যুদ্ধে যোগ না দিলে হয়ত ইসরাইল দামেস্ক দখল করে ফেলত ।

মুখের কথা দিয়ে যুদ্ধে জয়ে চ্যাম্পিয়ন আনোয়ার সাদাত যতই যুদ্ধে বিজয়ের ঘোষণা দেন না কেন, আসলে মিশরের সেনাবাহিনীকেও চরম মূল্য দিতে হয়েছিল। তবে সাদাতের উদ্দেশ্য ছিল ইসরাইলের সাথে আলোচনা আরম্ভ করা। সাদাত সেটা করতে পেরেছিলেন। আর হাফেজ আল আসাদের জন্য এটা ছিল একটা ব্যক্তিগত ইগোর পরীক্ষা। কেননা ৬৭ সালের যুদ্ধে তিনি ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং যুদ্ধে পরাজয়ের জন্য তাকে দায়ী করেছিল বাথ পার্টির মিলিটারি কমিটির সদস্যরা। (more…)

লিখেছেন শাহেদ তাসলিম শাহাদাত

shahedকোনো শব্দ বা শব্দগুচ্ছের আগে # (হ্যাশ) চিহ্ন ব্যবহার করাকেই হ্যাশট্যাগ বলে। এক্ষেত্রে হ্যাশ চিহ্ন পরে ব্যবহৃত শব্দগুলোর মাঝে কোনো স্পেস থাকে না এবং হ্যাশ ট্যাগে ব্যবহৃত শব্দগুলোর প্রথম অক্ষর বড় হাতের লেখা হয়।

হ্যাশট্যাগ সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়া যেমন: ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়। এটা ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো আলোচ্য বিষয়কে সুনির্দিষ্ট করা হয় এবং এর মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়াতে খুব সহজেই জনমত সৃষ্টি করা যায়।

সম্প্রতি ফেসবুক ও টুইটারে #SupportGaza, #GazaUnderAttack, #GazaUnderFire, #FreeGaza, #FreePalestine, #IsraelUnderFire- এই হ্যাশট্যাগগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

মিডিয়ার পক্ষপাতদুষ্ট সংবাদ পরিবেশনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে কার্যত এগুলোই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সারা বিশ্বে ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। (more…)

বিশ্লেষণ করেছেন জাহিদ রাজন

ইসরাইলের সিকিউরিটি বাহিনী শিন বেটের সাবেক প্রধান ইয়ুভাল ডিসকিন (Yuval Diskin) জার্মান প্রভাবশালী সাময়িকী ‘স্পাইজেল ( SPIEGEL)’ এর সাথে সাক্ষাৎকারে বলেছেন হামাস তিন সেটেলার অপহরণের সাথে সরাসরি জড়িত না। এমনকি হামাসের নেতারাও এ ঘটনায় প্রথম দিকে বেশ অবাক হন। কিন্ত ঘটনার সাথে সাথেই হামাস বিপদ বুঝতে পারে এবং তারা এবারে রকেট হামলা বন্ধের কোন চেষ্টা করেনি যেটা সাধারণত তারা অন্য সময়ে করে থাকে।

নেতানিয়াহু তাহলে কেন এই যুদ্ধে জড়ালেন ? সম্ভবত, নেতানিয়াহু ব্যক্তিগতভাবে এই যুদ্ধ চাননি। রাইট উইং যুদ্ধবাজদের চাপে পড়ে তাকে আসতে হয়েছে। এটা পরিষ্কার যে, ২০০৬ সালের লেবানন যুদ্ধের মতই এ গ্রাউন্ড ইনভেশন ইসরাইলের জন্য একটা বড় ভুল ছিল।

তীব্র অর্থনৈতিক সংকট এবং অবরোধের মুখে হামাসের জনপ্রিয়তা এমনিতেই কমে আসছিল বলে কিছু সাম্প্রতিক জরিপে উঠে এসেছে। এছাড়া সিরিয়া ইস্যুতে ইরানের সাথে সম্পর্কের অবনতি এবং মিশরে ব্রাদারহুডের পতন হামাসের জন্য ছিল বড় বিপর্যয়। তারা নিজেদের ৪০ হাজারেরও বেশী সরকারি কর্মচারীদের বেতন পর্যন্ত দিতে পারছিল না। এ অবস্থায় হামাস স্পষ্টতই ছিল দুর্বল এবং এ সংকট নিরসনে একেবারে মরিয়া । যে কোন মূল্যে তারা এ অবরোধের অবসান চাইছিল এবং এ জন্যে অনেক ছাড় দিয়ে ঐক্যমতের সরকারে এসেছিল। (more…)

Hamas-rocketsদ্য ইলেকট্রনিক ইন্তিফাদার একজন সহযোগী সম্পাদক ও অনুসন্ধানী সাংবাদিক আসা উইন্সটেনলি এ নিবন্ধটি লিখেছেন। তিনি বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন। নিবন্ধটি বাংলায় অনুবাদ করেছে অনলাইন বাংলার সহযোগী সম্পাদক সাবিদিন ইব্রাহিম

অন্যান্য দেশের মতও ফিলিস্তিনে ভয়ানক রাজনৈতিক মতভিন্নতা রয়েছে। কিছু প্রত্যন্ত অঞ্চলে রক্ষণশীলরা হামাসকে সমর্থন করে, ফিলিস্তিনের ইসলামিক প্রতিরোধ যুদ্ধকে সমর্থন করে। এরকম একটি শহর হচ্ছে হেবরন। অন্যান্য অঞ্চলে ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী ফাতাহ’র শক্তি বেশি। কিছু ছোট ছোট বাম দলের সমর্থনও রয়েছে কয়েক জায়গায়।

কিন্তু এখন আর সে রাজনৈতিক ভিন্নতার জায়গা নেই। এখন ইসরাইলের রক্ত পিপাসু নীতি ফিলিস্তিনি জনগণের জীবন তছনছ করে দিচ্ছে। এখন ফিলিস্তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করার একটিই উপায়, সেটা হলো প্রতিরোধ। যেকোন উপায়ে ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতিরোধ করা। (more…)

3-isareli-juvenileতিন ইসরাইলি কিশোর অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় হামাস জড়িত নয়। শুক্রবার ইসরাইলি পুলিশের মুখপাত্র মিকি রোজেনফিল্ড একথা স্বীকার করেছেন।

অথচ তিন কিশোরকে হামাস অপহরণের পর হত্যা করেছে বলে দাবি করে গত ১৯ দিন ধরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরাইল। মানবতাবিরোধী এ আগ্রাসনে হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি মুসলমান নিহত হয়েছে। যাদের বেশির ভাগই শিশু ও নারী।

মিকি রোজেনফিল্ড বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘তিন ইসরাইলি কিশোরকে অপহরণের নির্দেশ হামাস দেয়নি। যারা এ তিন কিশোরকে হত্যা করেছে তাদের সাথে হামাসের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা নিজেরাই এককভাবে এ কাজ করেছে।’ (more…)

86420_1ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে সব ধরণের সম্পর্ক শেষ করার ঘোষণা দিচ্ছে তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

গত তিন দিনেই তুরস্কের ১১১টি বিশ্ববিদ্যালয় ইসরাইলি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সম্পর্ক শেষ করার ঘোষণা দিয়েছে। এই সংখ্যা দিনদিনই বাড়ছে।

প্রথমে তুরস্কের ৮৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টররা রবিবার ঘোষণা করেন যে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের নিন্দা না করলে তারা ইসরাইলি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে একাডেমিক, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক সম্পর্কে চ্ছিন্ন করবেন।

রেক্টরদের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘গাজায় মানবতার বড় ট্রাজেডি ঘটছে।  পুরো বিশ্ব কানা ও বোবা হয়ে হয়ে আছে, কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। ইসরাইলি সরকার শিশুদেরকে নির্মমভাবে বন্দুকের সামনে নিক্ষেপ করছে।’ (more…)

লিখেছেন জাহিদ  রাজন

একজন পশ্চিমা সাংবাদিক গাজায় র‍্যান্ডমলি বেশ কিছু মানুষকে প্রশ্ন করেছেন । প্রশ্নটি ছিল তারা কি মনে করে এ অবস্থার জন্য হামাস দায়ী ? উত্তরে প্রায় সবাই মনে করে এর জন্য হামাস দায়ী নয়, বরং ইসরাইল দায়ী।

হামাস আগে রকেট ছুঁড়ে, হামাসের রকেটের বিনিময়ে ইসরাইল কয়েক শ টন বোমা ছুঁড়ে। এগুলো ইসরাইলের জন্য অনেক বেশি ভদ্র লজিক। হামাস না থাকলে কি হত ? হামাস প্রতিষ্ঠার আগে অবস্থা কি ছিল ? তখন কি ইসরাইলি আগ্রাসন ছিল না ? আরাফাত যিনি এত কম্প্রোমাইজ করলেন, অসলো চুক্তি করলেন (যেটা ছিল একটা ব্লান্ডার) তিনি কি শেষ রক্ষা করতে পেরেছিলেন ? তিনি নিজেই তো মারা গেলেন ইসরাইলের দেয়া পোলোনিয়াম বিষে। ওয়েস্ট ব্যাংক এর এখন কি অবস্থা ? সেখানে তো হামাস নাই। সেটা কি মুক্ত ? আসলে হামাস না থাকলেও অন্য একটা ছুতো বের করত ইসরাইল।

হামাস যখন সারা বছর চুপ ছিল তখন কি ইসরাইল নিরীহ জেলে, নারী- শিশু হত্যা করে নাই ? ইসরাইল কি ২০১২ এর যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করে নাই ? তাই হামাস রকেট ছুঁড়ে এই ধরণের যুক্তি ইসরাইলের জন্য না। কারণ ইসরাইল দখলদার। বছরের পর বছর আমার দেশ কেউ দখল করে নিলে, যে কোন সময়ে বিনা বিচারে গুলি বা হত্যা করলে (যেমনটা ইসরাইল করে), ব্রিটিশ এমপিও রকেট ছুঁড়তেন বলে মন্তব্য করেছেন। অতএব, হামাস না থাকলে এই সমস্যা সমাধান হত এরকম মনে করার কোন কারণ নাই। এটা একেবারে ফ্লড লজিক।

(more…)

86349_2ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি বর্বর হামলায় নিহতের সংখ্যা সাতশ’ ছাড়িয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে আরো অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৭ দিনের ইসরাইলি আগ্রাসনে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৭২০ জনে।

প্রতি মুহূর্তই নিহতের সংখ্যা বাড়ছে।

ইসরাইলের বর্বর হামলায় ৪,৬০০ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।

এছাড়া উদ্বাস্তু হয়ে জাতিসংঘের আশ্রয় কেন্দ্র ও খ্রিস্টানদের গির্জায় আশ্রয় নিয়েছেন লক্ষাধিক ফিলিস্তিনি। (more…)

86351_1গাজায় ইসলামপন্থী হামাস যোদ্ধাদের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ‘এক্সট্রেমলি ইম্প্রেসিভ’ বা চরম চিত্তাকর্ষক বলে মন্তব্য করেছেন ইসরাইলপন্থী সাবেক একজন বৃটিশ কমান্ডার।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তা ইহুদিবাদী ইসরাইলের সামনে এবার কঠিন পথ। গাজায় আরো বহু ইসরাইলি সেনার প্রাণহানি ঘটতে পারে বলেও সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।

জেরুজালেম পোস্টকে দেয়া সাক্ষাৎকারে কর্নেল (অব.) রিচার্ড কেম্প বলেন, ‘ হামাস ব্যাপক প্রতিরোধ ক্ষমতা দেখিয়েছে। তারা অপারেশন কাস্ট লিড ও পিলার অব ডিফেন্স থেকে শিক্ষা নিয়েছে। যোদ্ধারা এবং বেসামরিক লোক মারা গেলেও তাদের কমান্ডাররা সুড়ঙ্গে লুকিয়ে থাকছেন।… তারা ভয়ঙ্কর শত্রু। তারা এসব সুড়ঙ্গে যা করছে তাকে চরম চিত্তাকর্ষক বলেই আমার মনে হয়। গোয়েন্দাদের পক্ষে তাদেরকে সনাক্ত করা কঠিন।’ (more…)