Posts Tagged ‘পশ্চিমা মিডিয়া’

লিখেছেন চিন্তিত চিন্তাবিদ

বিভিন্ন ইস্যুতে আমাদের একটা প্রশ্ন করতে দেখা যায় এই যে এত স্ট্যাটাস দেই, টুইট করি, ছবি শেয়ার করি এতে আদৌ লাভ হয় কি? আমাদের কথা তো আর কেউ শোনে না। অনলাইনে ঝড় তুলেই লাভ কি?

সোশাল মিডিয়াতে সক্রিয় থাকার প্রয়োজনীয়তাটা চ্যানেল ফোরের ব্লগে চার্লস ম্যাসনের Why Israel is losing the social media war over Gaza শীর্ষক আর্টিকেলটি পড়লে আরো ভালোভাবে বোঝা যায়। তিনি প্রমাণ দিয়ে বুঝিয়েছেন গতানুগতিক মিডিয়া কিভাবে সত্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সোশাল মিডিয়ার কাছে হেরে যাচ্ছে।

গতানুগতিক মিডিয়াতে একটা খবর আসার আগে তাকে নানাভাবে রাঙ্গিয়ে-মুছিয়ে, নিজেদের মতো করে প্রকাশ করা হয়, যার ফলে খবরগুলো হয় একচোখা। আর অন্যদিকে সোশাল মিডিয়াতে খবরগুলোতে রঙ চড়ানোর সুযোগ থাকে না, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে শক্তিশালী কোন ছবিসহ আপনার কাছে মুহুর্তে পৌছে যায়, কোন মধ্যম ব্যক্তির হস্তক্ষেপ ছাড়াই। ফলে খবরগুলো হয় অনেক বেশি জীবন্ত ও সত্য। (more…)

Advertisements

লিখেছেন আবু সামীহা

২০০১ সাল। আমি তখন ওকলাহোমা সিটি ইউনিভার্সিটির গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট।  প্রতি সপ্তাহান্তে একটা ডলার স্টোরে কাজ করি। কাজে যাওয়ার জন্য মাঝে মাঝে ট্যাক্সি কল করতে হয়। ওকলাহোমা আমেরিকার সেই অংশে অবস্থিত যেখানে সাদা খৃষ্টান বর্ণবাদীদের আধিপত্য। একদিন ট্যাক্সি আসলে দেখলাম ড্রাইভার সাদা এবং মনে হল তিনি আমাকে দেখে পসন্দ করেন নি।

তিনি আসলে কোন রাখ-ডাক না করে তাঁর অসন্তুষ্টি প্রকাশই করে দিলেন। তিনি বললেন, “আমি মনে করতাম ইমিগ্র্যান্টরা নিউ ইয়র্ক এবং ক্যালিফোর্নিয়াতেই শুধু আসে। তারা এখন ওকলাহোমাতেও আসতে শুরু করেছে।” যাই হোক, হাজার হলেও আমি তাঁর কাস্টমার। তাই আমার সাথে তিনি ফ্রেণ্ডলী হবার চেষ্টা শুরু করলেন। তাই তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি কোত্থেকে এসেছেন?” আমি জবাব দেবার আগেই তিনি নিজেই বললেন, “আমাকে অনুমান করতে দিন। আপনি নিশ্চয় ভারতীয়।” আমি দুষ্টামির স্বরে বললাম, “হ্যাঁ, আমার দাদা ভারতীয় ছিলেন, আমার বাবা ছিলেন পাকিস্তানী, আর আমি বাংলাদেশী।” বেচারা পুরো হতভম্ব হয়ে পড়লেন। বললেন, “এটা কী করে সম্ভব যে একই পরিবারের তিনটা পরম্পরা তিনটা ভিন্ন দেশের নাগরিক?”

আমি বললাম, “আসলে আমরা সবাই একই এলাকায় জন্মেছি এবং বড় হয়েছি। আমার বাপ ও দাদা ওখানেই মারা গেছেন। ব্যাপার যা হয়েছে তা হলঃ আমার দাদার সময়ে আমাদের এলাকাটা পুরোটা ভারত ছিল; এরপর আমার বাবার সময়ে দুটো দেশ হয়েছে – পাকিস্তান ও ভারত। আমরা পাকিস্তানের অংশে ছিলাম। পাকিস্তান আবার বিচ্ছিন্ন হয়েছে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে। আর আমি জ্ঞান হবার পর যে দেশ দেখেছি তা হল বাংলাদেশ।” তিনি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, “বাপরে, বড় জটিল আপনাদের ইতিহাস।”

(more…)

লিখেছেন ওয়াহিদ সুজন

দুইবার সমাধিস্থ হয়েছিল যে কিশোর
ফিলিস্তিনি সেই মাহমুদ আল জাক-এর দেহাবশেষ শনাক্ত করেছিলেন তার বাবা আবদুল্লাহ, কোন শারীরিক আলামত দেখে না- বরং ইজরাইলি সেনাবাহিনীর হামলায় নিহত ছেলের কোমরের বেল্ট আর পায়ের মোজা জড়িয়ে কিছু মাংসের দলা শনাক্ত করেছিলেন হতভাগ্য বাবা। একদিন পর চৌদ্দবছর বয়সী মাহমুদের শরীরের বাকি অংশ খুঁজে পাওয়া যায়। সময় ২০০৬ সাল। স্থান দখলকৃত ফিলিস্তিন।
ইজরাইলি সেনাবাহিনী ওই হামলার নাম দিয়েছিল অপারেশন লকড কিন্ডারগার্টেন। যথোপযুক্ত নাম বটে। এই অপারেশনে নিহত হয়েছিল মোট বাইশ জন। যার বেশির ভাগই শিশু। এরপর ৯ সেপ্টেম্বর ২০০৬ সালে ইজরাইলি দৈনিক হারেট্জ’র পাঠকরা এ নিয়ে একটা নিবন্ধ পড়েছিলেন, সোজা বাংলায় শিরোনামটা ছিল এমন ‘দুইবার কবরস্থ হয়েছিল যে কিশোর’। লেখক ছিলেন গিডন লেভি। (more…)

86041_1ইসরাইলি বর্বরতা নিয়ে টুইট করায় ফিলিস্তিনের গাজা থেকে এবার সিএনএনের এক সাংবাদিককে বদলি করা হয়েছে।

ডায়না ম্যাগনে নামের সিএনএনের ওই সাংবাদিক অবরুদ্ধ গাজা থেকে প্রতিবেদন পাঠাচ্ছিলেন।

বৃহস্পতিবার ইসরাইলি বর্বর সামরিক বাহিনী যখন গাজায় নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে তখন তিনি সরাসরি ওই ঘটনার প্রতিবেদন পাঠান।

এতে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরাইলি সেনারা উল্লাসে ফেটে পড়ে।

প্রতিবেদনের পর এক টুইটার বার্তায় ডায়না বলেন, লাইভ প্রতিবেদন চলাকালেই ইসরাইলি সেনারা তাকে হুমকি দিয়েছে।

টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘ সেদেরত পাহাড়ের ওপর অবস্থানরত ইসরাইলি সেনারা গাজায় বোমা বিস্ফোরণের পরই উল্লাসে ফেটে পড়ে এবং হুমকি দেয় যে কোনো ভুল কথা বললে আমাদের গাড়ি ধ্বংস করে দেবে। শিঠ।’ (more…)