Posts Tagged ‘মধ্যপ্রাচ্য’

মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক ম্যাগাজিন মিডল ইস্ট আইতে সম্প্রতি প্রকাশিত এক নিবন্ধে তুলে ধরা হয়, কিভাবে গাজার উপর ইসরাইলের নৃশংস হামলায় গোপনে সৌদি আরব ও মিশর সহায়তা  করছে। Israel, Saudi Arabia and Egypt in daily contact over Gaza শীর্ষক নিবন্ধটি ভাষান্তর করেছেন জামির হোসেন

Prince Bandar

সৌদি-ইসরাইল-মিশরীয় সমন্বিত গোয়েন্দা চক্রের পালের গোদা প্রিন্স বন্দর বিন সুলতান

আরব রাষ্ট্রগুলোর একটি যৌথ কমান্ড গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন অব্যাহতভাবে চালিয়ে যেতে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে শলা পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।

ডেবকা নেট উইকলি নামে ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এক ওয়েবসাইট নিশ্চিত করেছে যে সৌদি বাদশাহ আব্দুল্লাহ এবং মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি দৈনিক আলাপচারিতার মাধ্যমে অব্যাহতভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।

ওয়েবসাইটের তথ্য মতে, টেলিফোন আলাপের মাধ্যমে এই যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। কিন্তু তাদের এই সহযোগিতার সম্পর্ক রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ আদান-প্রদানে বিশ্বস্ত কাউকে ব্যবহার করা হচ্ছে।

আর এজন্য কায়রোর সামরিক বিমানবন্দরে স্থায়ীভাবে পার্ক করা আছে একটি বিশেষ বিমান। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং মিশরের প্রেসিডেন্ট সিসির মধ্যে যখনই অতি গোপন কোনো সংবাদ বিনিময়ের প্রয়োজন হচ্ছে তখনই এই বিশেষ বিমান ব্যবহার করা হচ্ছে। গন্তব্যে পৌঁছতে  বিশেষ এই বিমানের ৯০ মিনিটের কম সময় লাগে। (more…)

86340_3অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের প্রধান খালেদ মিশাল।

তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গাজা উপত্যকার ওপর গত আট বছর ধরে চলা অবরোধ প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত তার সংগঠন যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত কোনো আলোচনায় বসবে না।

গাজায় ইসরাইলি বর্বর আগ্রাসন শুরুর ১৬তম দিনে বুধবার রাতে কাতারের রাজধানী দোহায় প্রথম জনসম্মুখে হাজির হন খালেদ মিশাল।

এর আগে বুধবার বাইতুল মোকাদ্দাসে (জেরুজালেমে) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি ও ইহুদিবাদী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, সংঘর্ষ বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না। অর্থাৎ হামাসকে আগে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মানতে হবে। (more…)

লিখেছেন AIR

গাজায় ইসরাইলের আক্রমণের বিরুদ্ধে আরব দেশগুলো নীরব কেন, ওআইসি নীরব কেন, আমেরিকা কেন ইসরাইলের পক্ষে কথা বলে, জাতিসংঘ কেন নীরব ইত্যকার নানা প্রশ্ন নিয়ে অনেকের অনেক সমালোচনা, কী বোর্ডে যুদ্ধ । প্রশ্ন যৌক্তিক, কিন্তু ব্যাখ্যা?

আরব দেশগুলা সেই সাদ্দামকে উৎখাতের সময়, অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম এর সময় আমেরিকার কাছে দাসখত দিয়েই দিয়েছে। আর মিসরে যে ছিছি নামের একজন শাসক আছে, যার সাথে গাজার সীমান্ত, সে তাকে ক্ষমতায় বসানোর পুরষ্কার হিসাবে ইসরাইলের কী কী ভাবে সেবা করা যায় সেই উপায় নিয়ে ব্যস্ত। আপনাদের ছিছি’র মত শাসকই পছন্দ। তাইলে আর কি আশা করেন?

আর আমেরিকা, জাতিসংঘ ইসরাইলের পক্ষে কথা বলবে, ক্ষেত্র বিশেষ চুপ থাকবে এ তো নতুন কিছু না। global governance সম্পর্কে একটু জানেন। আমেরিকা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তার অনুগত আর মিত্র দেশগুলোকে নিয়ে এই জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, ন্যাটো, আইএইএ ইত্যাদি নানা ইন্সটিটিউশন গড়ে তুলেছে, এগুলার ডিশিসান নেয়ার ক্ষমতা নিজের হাতে রেখে দিয়েছে, সারা বিশ্বের উপর খবরদারি করার জন্যই। সেখানে আপনার বা আপনাদের ভূমিকা আর মর্যাদা কি জানেন তো?! আপনাদের যে কোন সিদ্ধান্ত বাতিল করার ক্ষমতা রাখে UN সিকিউরিটি কাউন্সিল। অথবা পাঁচ শক্তির যে কোন একজনের ভেটো পাওয়ার। আপনাদের সাতান্নটা রাষ্ট্রের একশত বিশ ত্রিশ কোটি মানুষের কারো এই ক্ষমতা নাই। তো আংগুল চুষেন আর নয় তো ললিপপ খান, আর নিজের দেশে বড় বড় বুলি আউরায়ে রাজনীতির মাঠ গরম করেন! লিডারশীপ নিতে হলে জ্ঞান আর যোগ্যতা লাগবে, গবেষণা লাগবে, উদ্ভাবন লাগবে। তার জন্য জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চা করা লাগবে। জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চার সময় কই আপনার? বিশের তিনশো সেরা ইউনিভার্সিটির মধ্যে আপনার একটাও নাই, আপনার দেশে একটা আছে এক সময় যাকে নাকি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলা হত। সেটা এক হাজারটার মধ্যেও নাই। তো এই মানের শিক্ষা আর জ্ঞান দিয়ে কতদুর যাইতে চান? (more…)