Posts Tagged ‘মার্কিন নীতি’

লিখেছেন AIR

গাজায় ইসরাইলের আক্রমণের বিরুদ্ধে আরব দেশগুলো নীরব কেন, ওআইসি নীরব কেন, আমেরিকা কেন ইসরাইলের পক্ষে কথা বলে, জাতিসংঘ কেন নীরব ইত্যকার নানা প্রশ্ন নিয়ে অনেকের অনেক সমালোচনা, কী বোর্ডে যুদ্ধ । প্রশ্ন যৌক্তিক, কিন্তু ব্যাখ্যা?

আরব দেশগুলা সেই সাদ্দামকে উৎখাতের সময়, অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম এর সময় আমেরিকার কাছে দাসখত দিয়েই দিয়েছে। আর মিসরে যে ছিছি নামের একজন শাসক আছে, যার সাথে গাজার সীমান্ত, সে তাকে ক্ষমতায় বসানোর পুরষ্কার হিসাবে ইসরাইলের কী কী ভাবে সেবা করা যায় সেই উপায় নিয়ে ব্যস্ত। আপনাদের ছিছি’র মত শাসকই পছন্দ। তাইলে আর কি আশা করেন?

আর আমেরিকা, জাতিসংঘ ইসরাইলের পক্ষে কথা বলবে, ক্ষেত্র বিশেষ চুপ থাকবে এ তো নতুন কিছু না। global governance সম্পর্কে একটু জানেন। আমেরিকা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তার অনুগত আর মিত্র দেশগুলোকে নিয়ে এই জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, ন্যাটো, আইএইএ ইত্যাদি নানা ইন্সটিটিউশন গড়ে তুলেছে, এগুলার ডিশিসান নেয়ার ক্ষমতা নিজের হাতে রেখে দিয়েছে, সারা বিশ্বের উপর খবরদারি করার জন্যই। সেখানে আপনার বা আপনাদের ভূমিকা আর মর্যাদা কি জানেন তো?! আপনাদের যে কোন সিদ্ধান্ত বাতিল করার ক্ষমতা রাখে UN সিকিউরিটি কাউন্সিল। অথবা পাঁচ শক্তির যে কোন একজনের ভেটো পাওয়ার। আপনাদের সাতান্নটা রাষ্ট্রের একশত বিশ ত্রিশ কোটি মানুষের কারো এই ক্ষমতা নাই। তো আংগুল চুষেন আর নয় তো ললিপপ খান, আর নিজের দেশে বড় বড় বুলি আউরায়ে রাজনীতির মাঠ গরম করেন! লিডারশীপ নিতে হলে জ্ঞান আর যোগ্যতা লাগবে, গবেষণা লাগবে, উদ্ভাবন লাগবে। তার জন্য জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চা করা লাগবে। জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চার সময় কই আপনার? বিশের তিনশো সেরা ইউনিভার্সিটির মধ্যে আপনার একটাও নাই, আপনার দেশে একটা আছে এক সময় যাকে নাকি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলা হত। সেটা এক হাজারটার মধ্যেও নাই। তো এই মানের শিক্ষা আর জ্ঞান দিয়ে কতদুর যাইতে চান? (more…)

মূল: তারিক রমাদান, অনুবাদ: সাবিদিন ইব্রাহিম

Tariq-Ramadanএই সন্ধ্যাটা (১৪ জুলাই) এমন হওয়া উচিত ছিল যেখানে প্রেসিডেন্ট ওবামা একটি ধর্মের মানুষদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবেন। এই পবিত্র রমজান মাসে লাখো লাখো মুসলমান রোজা রাখছেন। তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবেন ওবামা, এমনটাই কথা ছিল।

এটা সম্মানের রাজনৈতিক প্রকাশ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটা এক রাজনৈতিক কূটচালের কারখানা হয়ে গেল যেখানে ওবামা যুক্তি দেখাচ্ছেন কিভাবে শতশত ফিলিস্তিনিকে মারা বৈধ এবং ইসরায়েলের কি অধিকার আছে তাদের আত্মরক্ষা করার। মুসলমান নেতারা এসব শুনতে বাধ্য ছিলেন।

আপনি বিস্মিত হতে পারেন ইফতার উদযাপন ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক কি? মুসলমান নেতাদেরকে এরকম লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে ফেলার প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য কারণ কি? এটা কি তাদের আনুগত্য পরখ করার জন্য অথবা তাদের আপোষ করার ক্ষমতা পরখ করার জন্য, নাকি বিশ্বাসঘাতকতা করার জন্য? ইফতারে উপস্থিত মুসলিম নেতারা নিরবই ছিলেন। (more…)