Posts Tagged ‘মিশরের যুদ্ধ বিরতি প্রস্তাব’

86340_3অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের প্রধান খালেদ মিশাল।

তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গাজা উপত্যকার ওপর গত আট বছর ধরে চলা অবরোধ প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত তার সংগঠন যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত কোনো আলোচনায় বসবে না।

গাজায় ইসরাইলি বর্বর আগ্রাসন শুরুর ১৬তম দিনে বুধবার রাতে কাতারের রাজধানী দোহায় প্রথম জনসম্মুখে হাজির হন খালেদ মিশাল।

এর আগে বুধবার বাইতুল মোকাদ্দাসে (জেরুজালেমে) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি ও ইহুদিবাদী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, সংঘর্ষ বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না। অর্থাৎ হামাসকে আগে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মানতে হবে। (more…)

লিখেছেন জাহিদ রাজন

হামাস মিশরের যুদ্ধ বিরতি মেনে নেয়নি। অতএব, তারাই এই মুহূর্তে এ সংঘাতের জন্য দায়ী। একটা জটিল বিষয়ের এর চেয়ে সরলীকরণ ন্যারেটিভ আর হয় না !

২০১২ সালে মিশর যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেছিল। সে সময়ে ক্ষমতায় ছিলেন মুহাম্মদ মুরসি। মুরসি বা মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে হামাসের সখ্যতার কথা সবাই জানে। আদর্শিকভাবে হামাস মুসলিম ব্রাদারহুডের অফশুট। জেনারেল সিসি ক্ষমতায় আসার পর মুরসির বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ আনা হয় এর একটি ছিল তিনি হামাসের গুপ্তচর হিসেবে কাজ করেছেন। সিসির সরকার মুসলিম ব্রাদারহুডের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে এবং দলটিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে ঘোষণা করেছে। সাথে হামাসকেও তারা সন্ত্রাসী দল হিসেবে তালিকভুক্ত করেছে।

মুসলিম ব্রাদারহুডের পতনের কারণ সম্পর্কে একটু জানা থাকলে দেখা যাবে যে,সিসির সাথে ইসরাইলের এই বিষয়ে অনেক আগে থেকেই প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ছিল। মুরসিকে অপসারণের পর ইসরাইল সিসিকে জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিল। এছাড়া মুরসির পতনের ঠিক আগ মুহূর্তে পুরো দেশে জালানি তেল এবং বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা দেয়, যেটা মিলিটারি ক্যু এর মাধ্যমে মুরসিকে অপসারণের একিদনের মধ্যেই মধ্যে ঠিক হয়ে যায়। (more…)