Posts Tagged ‘হামাস’

মূল: আযযাম তামিমি, অনুবাদ: তারিকুর রহমান শামীম

azzam tamimiপ্রথমত: ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ বাহিনী ও ইজরাইলের মাঝে সম্পন্ন হওয়া সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতিটির মাধ্যমে গাজার মানুষ যা চাচ্ছিল তার সবটা তারা অর্জন করতে পারেনি। সেইসাথে ইজরাইল যা আশা করছিলো সেটার কিছুই এই যুদ্ধবিরতি দ্বারা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। সম্ভবত দুইটি পক্ষ থেকে শেষ-মেষ এই চুক্তিতে রাজি হওয়ার কারণ হচ্ছে তাদের এই বিশ্বাস যে, উদ্ভূত সার্বিক পরিস্থিতিতে এর চেয়ে বেশি কিছু পাওয়ার কোনও পথই খোলা ছিল না।

এটা সত্য যে ইজরাইল গাজার বিরুদ্ধে তাদের যুদ্ধে আরব জাতি-রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে নজিরবিহীন সহযোগিতা উপভোগ করেছিলো এবং গাজায় যত বেশি সম্ভব ক্ষতিসাধন করে আত্মসমর্পণের জন্য হামাসের উপর চাপ প্রয়োগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু আরব ভূখণ্ড থেকে লাগাতার উৎসাহ পেয়েছে তারা। এর পরেও তারা গাজার প্রতিরোধকে পঙ্গু করে দিতে পারেনি তাদেরকে অথবা তাদেরকে আত্মসমর্পণ করতেও বাধ্য করতে পারেনি। গাজার প্রতিরোধের ব্যাপারে কথা হল, অবরোধ এবং দুর্ভোগ স্বত্বেও এটা নিশ্চিতই গাজার জনগণের পক্ষ থেকে নিঃশর্ত ভাবে পূর্ণ সহযোগিতা পেয়েছে এই আশায় যে, অন্তত এই সংঘর্ষের মাধ্যমে গাজা উপত্যকায় প্রায় আট বছর ধরে চলতে থাকা অবরোধ থেকে মুক্তি আসবে। এতদ স্বত্বেও প্রতিরোধের পক্ষে অবশেষে সত্যিই অবরোধ তুলে নেয়া হবে কিনা তার নিশ্চিত গ্যারান্টি পাওয়া সম্ভব হয়নি। (more…)

Advertisements

100_31জেরুজালেম: ইসরাইলের সাথে ৫০ দিন ব্যাপী যুদ্ধের পর গাজা নিয়ন্ত্রণকারী ইসলামপন্থী সংগঠন হামাসের জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে বলে মঙ্গলবার প্রকাশিত এক জনমত জরিপে বলা হয়েছে। খবর রয়টার্স  ও এপির।

বিশেষ করে গাজা ও পশ্চিম তীরে হামাসের জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে।

জনমত জরিপে দেখা যায়, আজ যদি ফিলিস্তিনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয় তবে হামাস নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল হানিয়া পাবেন ৬১ শতাংশ ভোট।

অন্যদিকে ফিলিস্তিনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস পাবেন তার প্রায় অর্ধেক- মাত্র ৩২ শতাংশ ভোট।

জরিপে হামাস প্রধান খালেদ মেশালের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন ৭৮ শতাংশ ফিলিস্তিনি। (more…)

লিখেছেন সাইফুল ইসলাম

86340_3জন্মেছিলেন ফিলিস্তিনের পরাধীন ভূমিতে। জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে বাবা-মায়ের হাত ধরে শিশুকালেই দেশান্তরি হন কুয়েতে। এরপর কখনো জর্ডানে, কখনো সিরিয়ায় আবার কখনোবা কাতারে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন তিনি।

তিনি খালেদ মেশাল- ফিলিস্তিনের এক আপসহীন সিপাহশালার। গাজার ইসলামপন্থী দল হামাসের প্রধান তিনি। মধ্যপ্রাচ্যের যে কোনো রাজা বাদশাহকে বিশ্বের যত মানুষ চেনেন, তার চেয়ে বিশ্বব্যাপী তার পরিচিতি অনেক বেশি। দেশহীন এই মানুষটি এখন আরব জাহানের এক মুকুটহীন সম্রাট।

পরিচিতিতে তিনি হয়তো মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রতিদ্বন্দ্বী। স্বাধীনতাকামীদের হৃদয় স্পন্দন তিনি। নিজ মাতৃভূমিকে দখলদার ইসরাইলিদের কবলমুক্ত করতে লড়াই করছেন জীবন বাজি রেখে।

ইসরাইলি বর্বর বাহিনী যখনই গাজার ওপর হামলে পড়ে তখন বিশ্বব্যাপী উচ্চারিত হয় একটি নাম-খালেদ মেশাল। অথচ ইসরাইলি চক্রান্ত সফল হলে এতোদিনে তার ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন হতো।

হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজায় সর্বশেষ ৫০ দিনের ইসরাইলি আগ্রাসনকে ফিলিস্তিনের মুক্তির সংগ্রামের পথে ‘মাইলস্টোন’ আখ্যা দেন এই নির্বাসিত হামাস নেতা। অথচ দু’বছর আগে হামাসের দায়িত্ব ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। (more…)

লিখেছেন জাহিদ রাজন

১৯৭৩ সালের আরব ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইলি সেনারা ট্যাঙ্ক নিয়ে অগ্রসর হল। তারা ভাবল যে মিশরের সেনারা যেহেতু সুয়েজ খাল অতিক্রম করে এসেছে তাই খুব বেশী ভারী অস্ত্র এখনো আনতে পারে নি। অতএব, ট্যাঙ্ক দিয়ে আক্রমণ করে মিশরের সেনাবাহিনীকে সহজেই পরাজিত করা যাবে। ইসরাইল ট্যাঙ্ক নিয়ে প্রায় বিনা বাধায় অনেকখানি সামনে চলে আসল। মিশরের সেনাবাহিনী অপেক্ষা করতে থাকল। যখন ইসরাইলি ট্যাঙ্ক কিছুটা কাছাকাছি রেঞ্জে আসল তখন মিশরের সেনাবাহিনী রাশিয়া থেকে আনা এন্টিট্যাঙ্ক মিসাইল ফায়ার করা আরম্ভ করল। পরের দিকে বেশ ভালভাবে সামলে উঠলেও প্রথমে এই এন্টিট্যাঙ্ক মিসাইলের বাধায় ইসরাইলের বেশ কিছু সেনা নিহত হল এবং ট্যাঙ্ক ধ্বংস হল। এ ঘটনায় ইসরাইল বেশ হতবাক হয়ে গিয়েছিল।

ইসরাইলের সাথে যুদ্ধে একটা জিনিস খেয়াল রাখা দরকার। ইসরাইলের একজন সেনা নিহত হওয়াটাকেও ইসরাইলিরা খুব গুরুত্ব সহকারে দেখে। নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করলে ১৯৭৩ সালের আরব ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইলের পারফরম্যন্স ছিল অসাধারণ। মিশর এবং সিরিয়ার অতর্কিতে হামলার মুখোমুখি হয়েও তারা শেষ পর্যন্ত সিরিয়াকে বেশ ভালভাবেই কাবু করেছিল। সম্মিলিত আরব ফোর্স যুদ্ধে যোগ না দিলে হয়ত ইসরাইল দামেস্ক দখল করে ফেলত ।

মুখের কথা দিয়ে যুদ্ধে জয়ে চ্যাম্পিয়ন আনোয়ার সাদাত যতই যুদ্ধে বিজয়ের ঘোষণা দেন না কেন, আসলে মিশরের সেনাবাহিনীকেও চরম মূল্য দিতে হয়েছিল। তবে সাদাতের উদ্দেশ্য ছিল ইসরাইলের সাথে আলোচনা আরম্ভ করা। সাদাত সেটা করতে পেরেছিলেন। আর হাফেজ আল আসাদের জন্য এটা ছিল একটা ব্যক্তিগত ইগোর পরীক্ষা। কেননা ৬৭ সালের যুদ্ধে তিনি ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং যুদ্ধে পরাজয়ের জন্য তাকে দায়ী করেছিল বাথ পার্টির মিলিটারি কমিটির সদস্যরা। (more…)

গাজার চলচ্চিত্র নির্মাতা মোহাম্মদ হারব নির্মিত ডকুমেন্টারি The Gaza Tunnels গত ৫ আগস্ট সম্প্রচার করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। এই ডকুমেন্টারির আলোকে লিখেছেন জাহিদ রাজন

গাজার টানেল নিয়ে একটা ডকুমেন্টারি প্রচার করেছে আলজাজিরা। সেখানে দেখানো হয়েছে গাজার কঠিন এবং নির্মম বাস্তব পরিস্থিতি। চারিদিকের সীমান্ত বন্ধ। একদিকে ইসরাইল আরেকদিকে মিশর। খাবার ওষুধ এবং অন্যান্য জিনিস আনার একমাত্র রাস্তা টানেল। মানুষের সেখানে কার্যত আর কোন ব্যবস্থা নাই। একেবারে সহজ সরল সরঞ্জাম দিয়ে খোড়া হয় এসব টানেল। ছোট ছোট গবাদি পশু পর্যন্ত আনা হয় এই টানেল দিয়ে, এরপর পুলি দিয়ে টেনে তোলা হয়। কিছু কিছু টানেল দিয়ে গাড়ি প্রবেশ করতে পারে, তবে খুব সতর্কতার সাথে চালাতে হয়। আর সেটা দিয়ে আনা হয় সব নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস। একেবারে টানেল নির্ভর জীবন। এটাই গাজার অবরুদ্ধ ১৮ মিলিয়ন মানুষের ইকোনমির কেন্দ্র। (more…)

লিখেছেন শাহেদ তাসলিম শাহাদাত

shahedকোনো শব্দ বা শব্দগুচ্ছের আগে # (হ্যাশ) চিহ্ন ব্যবহার করাকেই হ্যাশট্যাগ বলে। এক্ষেত্রে হ্যাশ চিহ্ন পরে ব্যবহৃত শব্দগুলোর মাঝে কোনো স্পেস থাকে না এবং হ্যাশ ট্যাগে ব্যবহৃত শব্দগুলোর প্রথম অক্ষর বড় হাতের লেখা হয়।

হ্যাশট্যাগ সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়া যেমন: ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়। এটা ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো আলোচ্য বিষয়কে সুনির্দিষ্ট করা হয় এবং এর মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়াতে খুব সহজেই জনমত সৃষ্টি করা যায়।

সম্প্রতি ফেসবুক ও টুইটারে #SupportGaza, #GazaUnderAttack, #GazaUnderFire, #FreeGaza, #FreePalestine, #IsraelUnderFire- এই হ্যাশট্যাগগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

মিডিয়ার পক্ষপাতদুষ্ট সংবাদ পরিবেশনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে কার্যত এগুলোই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সারা বিশ্বে ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। (more…)

বিশ্লেষণ করেছেন জাহিদ রাজন

ইসরাইলের সিকিউরিটি বাহিনী শিন বেটের সাবেক প্রধান ইয়ুভাল ডিসকিন (Yuval Diskin) জার্মান প্রভাবশালী সাময়িকী ‘স্পাইজেল ( SPIEGEL)’ এর সাথে সাক্ষাৎকারে বলেছেন হামাস তিন সেটেলার অপহরণের সাথে সরাসরি জড়িত না। এমনকি হামাসের নেতারাও এ ঘটনায় প্রথম দিকে বেশ অবাক হন। কিন্ত ঘটনার সাথে সাথেই হামাস বিপদ বুঝতে পারে এবং তারা এবারে রকেট হামলা বন্ধের কোন চেষ্টা করেনি যেটা সাধারণত তারা অন্য সময়ে করে থাকে।

নেতানিয়াহু তাহলে কেন এই যুদ্ধে জড়ালেন ? সম্ভবত, নেতানিয়াহু ব্যক্তিগতভাবে এই যুদ্ধ চাননি। রাইট উইং যুদ্ধবাজদের চাপে পড়ে তাকে আসতে হয়েছে। এটা পরিষ্কার যে, ২০০৬ সালের লেবানন যুদ্ধের মতই এ গ্রাউন্ড ইনভেশন ইসরাইলের জন্য একটা বড় ভুল ছিল।

তীব্র অর্থনৈতিক সংকট এবং অবরোধের মুখে হামাসের জনপ্রিয়তা এমনিতেই কমে আসছিল বলে কিছু সাম্প্রতিক জরিপে উঠে এসেছে। এছাড়া সিরিয়া ইস্যুতে ইরানের সাথে সম্পর্কের অবনতি এবং মিশরে ব্রাদারহুডের পতন হামাসের জন্য ছিল বড় বিপর্যয়। তারা নিজেদের ৪০ হাজারেরও বেশী সরকারি কর্মচারীদের বেতন পর্যন্ত দিতে পারছিল না। এ অবস্থায় হামাস স্পষ্টতই ছিল দুর্বল এবং এ সংকট নিরসনে একেবারে মরিয়া । যে কোন মূল্যে তারা এ অবরোধের অবসান চাইছিল এবং এ জন্যে অনেক ছাড় দিয়ে ঐক্যমতের সরকারে এসেছিল। (more…)

86340_3গাজার পশ্চিম তীরে জনপ্রিয় হচ্ছে হামাস। ইসরাইলের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিরোধ গড়ে তুলে হামাস পশ্চিম তীরের অধিবাসীদের মন জয় করে নিচ্ছে।

মেহের আল নাদেন নামে একজন রাস্তা পরিস্কারকারী বলেন তিনি গাজা অবরোধের প্রতিবাদে ইসরাইলের তৈরি সব পণ্য কেনা বন্ধ করে দিয়েছেন।

‘অন্তত এটা তো আমরা করতে পারি’, পশ্চিম তীরের বাসিন্দা এই ফিলিস্তিনি তার হতাশা ব্যক্ত করে বলেন।

তিনি গাজায় ইসরাইলি বর্বরতার একজন প্রত্যক্ষ সাক্ষী।

মেহের আল নাদেন নিজেকে সাধারণ জনগণের একজন হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, ‘আমরা এই শরণার্থী শিবিরে ৭০ বছর ধরে আছি। আর আমি আমার ছেলেকে হামাসকে দান করে দিয়েছি।’ (more…)

Hamas-rocketsদ্য ইলেকট্রনিক ইন্তিফাদার একজন সহযোগী সম্পাদক ও অনুসন্ধানী সাংবাদিক আসা উইন্সটেনলি এ নিবন্ধটি লিখেছেন। তিনি বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন। নিবন্ধটি বাংলায় অনুবাদ করেছে অনলাইন বাংলার সহযোগী সম্পাদক সাবিদিন ইব্রাহিম

অন্যান্য দেশের মতও ফিলিস্তিনে ভয়ানক রাজনৈতিক মতভিন্নতা রয়েছে। কিছু প্রত্যন্ত অঞ্চলে রক্ষণশীলরা হামাসকে সমর্থন করে, ফিলিস্তিনের ইসলামিক প্রতিরোধ যুদ্ধকে সমর্থন করে। এরকম একটি শহর হচ্ছে হেবরন। অন্যান্য অঞ্চলে ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী ফাতাহ’র শক্তি বেশি। কিছু ছোট ছোট বাম দলের সমর্থনও রয়েছে কয়েক জায়গায়।

কিন্তু এখন আর সে রাজনৈতিক ভিন্নতার জায়গা নেই। এখন ইসরাইলের রক্ত পিপাসু নীতি ফিলিস্তিনি জনগণের জীবন তছনছ করে দিচ্ছে। এখন ফিলিস্তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করার একটিই উপায়, সেটা হলো প্রতিরোধ। যেকোন উপায়ে ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতিরোধ করা। (more…)

3-isareli-juvenileতিন ইসরাইলি কিশোর অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় হামাস জড়িত নয়। শুক্রবার ইসরাইলি পুলিশের মুখপাত্র মিকি রোজেনফিল্ড একথা স্বীকার করেছেন।

অথচ তিন কিশোরকে হামাস অপহরণের পর হত্যা করেছে বলে দাবি করে গত ১৯ দিন ধরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরাইল। মানবতাবিরোধী এ আগ্রাসনে হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি মুসলমান নিহত হয়েছে। যাদের বেশির ভাগই শিশু ও নারী।

মিকি রোজেনফিল্ড বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘তিন ইসরাইলি কিশোরকে অপহরণের নির্দেশ হামাস দেয়নি। যারা এ তিন কিশোরকে হত্যা করেছে তাদের সাথে হামাসের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা নিজেরাই এককভাবে এ কাজ করেছে।’ (more…)